ক্লাস, বই আর অধ্যায় বেছে প্রশ্ন টিক দিন। ব্যাচের প্রশ্নপত্র ছাপার মতো করে তৈরি হয়ে যাবে।
প্রশ্নপত্র বানানপরীক্ষার আগে পুরোনো প্রশ্ন খুঁজে, কেটে, সাজিয়ে নতুন সেট বানাতে হয়। পরের মাসে আবার সেই একই কাজ।
হাতের কাছে যে কটা সেট আছে সেখান থেকেই বানাতে হয়। ছাত্র দুবার পরেই চিনে ফেলে।
হাতে লেখা প্রশ্ন কম্পোজ করাতে দিতে হয়, ভুল এলে আবার ফেরত পাঠাতে হয়। পরীক্ষা তিন দিন পরে।
সকালের ব্যাচের প্রশ্ন বিকেলের ব্যাচ জেনে যায়। আলাদা সেট বানানোর সময় থাকে না।
এখন ৭টি শ্রেণির ৩৫টি বই, মোট ১০,২৯৯টি প্রশ্ন — সব এনসিটিবির পাঠ্যবই থেকে, অধ্যায় ধরে ধরে তোলা।
কোন অধ্যায় থেকে কটা প্রশ্ন নেবেন আপনি ঠিক করেন। পরের সেটে একই অধ্যায় থেকে অন্য প্রশ্ন বেছে নিলেই দ্বিতীয় ব্যাচের প্রশ্নপত্র আলাদা।
প্রতিষ্ঠানের নাম, পরীক্ষার নাম, সময় আর নম্বর উপরে বসে। পাতার ভাঙা ঠিক থাকে, তাই প্রিন্ট দিয়েই ফটোকপি করা যায়।
একই সেটের উত্তর আলাদা করে বের করে নিতে পারেন, খাতা দেখার সময় হাতে রাখার জন্য।
এনসিটিবির পাঠ্যবই থেকে, অধ্যায় ধরে ধরে — বইয়ের ক্রম আর প্রশ্নের ভাষা যেমন ছাপা আছে তেমনই। বাংলা বইয়ের প্রশ্ন বাংলায়, ইংরেজি বইয়ের প্রশ্ন ইংরেজিতে। অভীক্ষা এনসিটিবির অ্যাপ নয়, এনসিটিবির অনুমোদনও আমরা দাবি করি না।
না, একই অ্যাপ। লগইন ছাড়াই প্রথম ২টি প্রশ্নপত্র বানিয়ে দেখতে পারেন, লগইন করলে মাসে ৩টি। তার পরেও চালিয়ে যাওয়া যায়।
না। অভীক্ষা প্রশ্নপত্রের কাজটাই করে। ভর্তি, ফি, উপস্থিতি আর অভিভাবককে ফলাফল জানানোর সিস্টেম আলাদা জিনিস — সেটা আমরা কোচিং সেন্টারের জন্য আলাদাভাবে বানিয়ে দিই, এই অ্যাপের অংশ হিসেবে নয়।
পরের পরীক্ষার সেটটা দিয়েই শুরু করে দেখুন।
শুরু করুন